1. admin@dainikdeshkantho.com : admin : Humayun Kabir
শনিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২২, ০৪:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সালথায় জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস পালন নোয়াখালীর কবিরহাটে কিশোরীকে ধর্ষণ আলফাডাঙ্গায় পুজা মন্ডপ পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক মধুখালী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার যোগদান মাদারীপুরে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান আনিসুর রহমানের জানাজা অনুষ্ঠিত যুক্তরাজ্য-যুক্তরাষ্ট্র সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন বিকেলে চাটখিলে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে বিভিন্ন মেয়াদে ৩ জনের কারাদণ্ড নৌকা মনোনয়ন প্রত্যাশী মেয়র প্রার্থী শারদীয় দুর্গা পূজামন্ডপ পরিদর্শন পৌরসভা শারদীয় দুর্গোৎসবে পূজামন্ডপ পরিদর্শন ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন পৌর আওয়ামী সাধারণ সম্পাদক

মাদারীপুরে বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২২
  • ১১৯ বার পঠিত

 

রাকিব হাসান, মাদারীপুর প্রতিনিধি:

মাদারীপুরে বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে শোভাযাত্রা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বৈশাখী মেলার আয়োজন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসন, শিল্পকলা একাডেমি, শিশু একাডেমি, উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর পরিবেশনায় স্বাধীনতা অঙ্গন বিভিন্ন ধরনের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও আয়োজন করা হয়েছে গ্রামীণ আবহে বৈশাখী মেলা।আজ সকাল ১০টার দিকে মাদারীপুর জেলা লেকপার মুক্তমঞ্ছে অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক ড. রহিমা খাতুন। নববর্ষের আয়োজনে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সাংস্কৃতিক সংগঠনের শিল্পীরা অংশগ্রহণ করেন। বছর ঘুরে আবার এলো বাংলা নববর্ষ। তবে এবারের নববর্ষ এসেছে নতুন প্রত্যাশা নিয়ে। বিশেষ করে টানা দুই বছর করোনা অতিমারির কারণে একরকম গৃহবন্দিত্বের পর এলো এবারের নববর্ষ।এবারের নতুন বছর এমন সময়ে এলো যখন অফিস–আদালত সব খোলা।করোনা মহামারিতে তেমনভাবে পালন করতে পারে নাই এই নববর্ষকে। গত দুই বছরে যেমন ভাবতে হতো আবার কবে স্বাভাবিক সময়ের মতো চলাফেরা করা যাবে। এখন সেই জায়গায় ভাবতে হয় কবে ট্রাফিক জ্যাম যাবে। গত দুই বছরের ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার চেষ্টায় এই রমজানে স্কুলে যাচ্ছে কোমলমতি শিশুরাও।এতে অংশগ্রহণ করেন জেলা শিল্পকলা একাডেমির সকল বিভাগের শিক্ষার্থী ও প্রশিক্ষকগন।এছাড়াও বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠন এই নববর্ষ পালনে অংশগ্রহণ করেছেন।

তবে বৈশাখ জুড়ে যেমন নববর্ষ বা হালখাতার রেশ থাকে, তেমনি থাকে কালবৈশাখীর শঙ্কা। একইভাবে প্রাকৃতিক করোনাকাল শেষ হয়ে আসলেও আমাদের মধ্যে মাঝে মধ্যেই ফিরে আসে সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প।

মাদারীপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমির নাট্য প্রশিক্ষক আ.জ.ম কামাল বলেন, তবুও নববর্ষকে স্বাগত জনিয়ে পয়লা বৈশাখের নতুন সূর্যকে সামনে রেখে আমরা গাইবো ‘মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা, অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা’। কারণ, পয়লা বৈশাখ আমাদের সকল সঙ্কীর্ণতা পরিহার করে উদারনৈতিক জীবন-ব্যবস্থা গড়তে উদ্বুদ্ধ করে। সব সংকীর্ণতা ঝেড়ে আমাদের নতুন উদ্যোমে বাঁচার অনুপ্রেরণা দেয়। আমরা যে বাঙালি, বিশ্বের বুকে এক গর্বিত জাতি, পয়লা বৈশাখের বর্ষবরণে আমাদের মধ্যে আবার জাগ্রত হোক সেই বোধ।

এছাড়াও বক্তারা বলেন, বাংলা নববর্ষ এক সময় পালিত হতো ঋতুধর্মী উৎসব হিসেবে। যখন এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল কৃষির, কারণ কৃষিকাজ ছিল ঋতুনির্ভর। পরবর্তীতে কৃষিকাজ।
এক সময় বাংলা নববর্ষের মূল উৎসব ছিল অর্থনৈতিক বিষয় হালখাতা। ব্যবসায়ীরা গ্রামে-গঞ্জে নববর্ষের শুরুতে তাদের পুরানো হিসাব-নিকাশ চুকিয়ে হিসাবের নতুন খাতা খুলতেন। এ উপলক্ষে তারা নতুন-পুরাতন খদ্দেরদের আমন্ত্রণ জানিয়ে মিষ্টি বিতরণ করতেন এবং নতুনভাবে তাদের সঙ্গে ব্যবসায়িক যোগসূত্র স্থাপন করতেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © ২০২২ স্বাধীন বার্তা ৭১
Theme Customized By Theme Park BD